গুগোল আমার বিয়ে কবে হবে - আপনার বিয়ে কার সাথে কোথায় হবে জেনে নিন
গুগোল আমার বিয়ে কবে হবে - আপনার বিয়ে কার সাথে কোথায় হবে এই বিষয় নিয়ে আজকে
আমি আপনাদের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করব। আশা করছি আজকের এই আর্টিকেলটি আপনি মনোযোগ
সহকারে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত পড়বেন। আজকের এই আর্টিকেলটি আপনি যদি মনোযোগ সহকারে
পুরোপুরি পড়েন তাহলে বিয়ে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।
আমাদের যাদের বিয়ের বয়স হওয়ার পরেও সময় মত বিয়ে হচ্ছে না, তারা বিভিন্ন সময়
বর্তমান ডিজিটাল যুগে বিয়ের সময় ও কার সাথে বিয়ে হবে এই বিষয়ে জানার জন্য
গুগলে সার্চ করে থাকি। তাই আজকের এই আর্টিকেলটি তাদের জন্য যাদের বিয়ের বয়স
হওয়ার পরেও বিভিন্ন সমস্যার কারণে বিয়ে হচ্ছে না, বিয়ে না হলে কি করা উচিত এই
বিষয় সম্পর্কে জানার জন্য আজকের এই পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়তে হবে। তাহলে চলুন
দেরি না করে জেনে নেই আমার বা আপনার বিয়ে কবে হবে।
পেজ সূচিপত্র ঃগুগোল আমার বিয়ে কবে হবে - আপনার বিয়ে কার সাথে কোথায় হবে
- গুগোল আমার বিয়ে কবে হবে
- বিয়ের আসল বা মুল দিকগুলো কি কি
- তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার কিছু আমল
- প্রতি নিয়ত বিশেষ সূরা ও আয়াত পাঠ করা
- বিশেষ আমল করার কিছু নিয়ম
- পছন্দের মানুষকে বিয়ে করার কিছু আমল
- বিয়ে করা সুন্নত নাকি ফরজ ?জেনে নিন
- সময় মত বিয়ে না হলে কি করা উচিত
- বিয়ে সম্পর্কে কয়েকটি হাদিস জেনে নিন
- ছেলেদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল
- ইসলামের তাড়াতাড়ি বিয়ে করার গুরুত্ব
- জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী বিয়ের ভবিষ্যৎবাণী
- শেষ কথা
গুগোল আমার বিয়ে কবে হবে - আপনার বিয়ে কার সাথে কোথায় হবে
আমার বিয়ে কবে হবে এই বিষয়েই সম্পর্কে জানার আগে আমাদের অবশ্যই অবগত হওয়া উচিত
যে বিয়ে জিনিসটা কি? বিয়ে হল দুটি মানুষের মধ্যে একটি সামাজিক, ধর্মীয় ও আইনগত
বন্ধন ,যা পরিচিত বা অপরিচিত দুইটি মানুষের মধ্যে একটি সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।
আমরা আরও বলতে পারি যে এটি একটি সামাজিক ও আইনগত চুক্তি যা স্বামী স্ত্রীর মধ্যে
একটি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করে এবং একে অপরের প্রতি অধিকার ও কর্তব্য পালন করে
থাকে। তবে বিয়ের সংজ্ঞা অনুযায়ী বিভিন্ন গোষ্ঠী বা সংস্কৃতিতে এর সংজ্ঞা ও
প্রথা ভিন্ন ধরনের হতে পারে।
বিয়ে আমাদের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের রব মহান আল্লাহ তা'আলা একজন
নারী ও পুরুষের মধ্যে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ফরজ করে দিয়েছেন। আমাদের একটি
জিনিস মনে রাখতে হবে যে জন্ম , মৃত্যু ও বিয়ে এগুলো সম্পূর্ণটাই আল্লাহর তরফ
হইতে নির্ধারিত হয়ে থাকে। আমার বা আপনার বিয়ে কখন কবে কোথায় কার সাথে হবে তা
মহান আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানেন না।
আপনার বিয়ে কবে হবে এই বিষয় নিয়ে আমরা গুগলে সার্চ করে থাকি কিন্তু গুগল
হয়তোবা আমার বা আপনার জীবনের এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের উপর সঠিক সিদ্ধান্ত বা
উত্তর দিতে পারবেন না, তবে গুগল আপনাকে বিয়ের বিষয় নিয়ে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য
উপাত্ত দিয়ে সাহায্য সহযোগিতা করতে পারে। তাই বিয়ের সময় এবং কার সাথে কোথায়
বিয়ে হবে এই বিষয় নিয়ে গুগলের ওপর পুরোপুরি নির্ভরশীল হওয়া যাবে না।
বিয়ের আসল বা মুল দিকগুলো কি কি
গুগোল আমার বিয়ে কবে হবে এই বিষয় সম্পর্কে জানার আগে আমাদেরকে জানা উচিত বিয়ের আসল
বা মূল দিকগুলো কি?
- আইনি ও ধর্মীয় চুক্তিঃ বিয়ে একটি আইনগত ও ধর্মীয় চুক্তি বটে। কারণ আমরা যেই রাষ্ট্রে বা যে দেশে বসবাস করি সেই রাষ্ট্রের নিয়ম অনুযায়ী বা আইন অনুযায়ী আমাদেরকে বিয়ের কার্যক্রম সম্পূর্ণ করতে হয়। এছাড়াও আমাদের যে যার ধর্ম পালন করে থাকি সেই ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী আমাদের বিয়ের চুক্তি সম্পাদন করে থাকি।
- সামাজিক বন্ধনঃ বিয়ে এমন একটি সামাজিক প্রতিষ্ঠান যা একটি নারী ও পুরুষের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে স্বীকৃতি দিয়ে থাকে।
- পারিবারিক প্রতিষ্ঠানঃ বিয়ে একটি পারিবারিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ও বলা চলে কারণ বিয়ে পরিবার এবং তাদের সন্তানদের মধ্যে সম্পর্ক এবং দায়িত্ব ও কর্তব্য স্থাপন করে থাকে।
- প্রথা ও ঐতিহ্যঃ বিয়ে একটি প্রথা ও ঐতিহ্য ।এটি বিভিন্ন সংস্কৃতি ও ধর্মের প্রথা বিশ্বাস দায়িত্ব-কর্তব্য ও নিয়মের উপর ভিত্তি করে পরিচালিত হয়ে থাকে।
- বৈধতাঃ একটি নারী ও পুরুষের জীবনে বিয়ে হচ্ছে পারস্পরিক বন্ধন। এই পারস্পরিক বন্ধনে বৈধতা নির্ভর করে থাকে সংশ্লিষ্ট দেশের আইন ধর্মীয় প্রথা ও সামাজিক নিয়ম-কানুনের ওপর ভিত্তি করে।
তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার কিছু আমল
গুগোল আমার বিয়ে কবে হবে আজকের এই বিষয়ে আমরা জানতে পারবো একজন নারী ও পুরুষের
তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার যে আমলগুলো রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে। আমরা বিভিন্ন ধর্মের
লোকজন তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার যে আমলগুলো রয়েছে সেগুলো বিভিন্ন ধর্মের নিয়ম
অনুযায়ী পালন করে থাকি। চলুন জেনে নেওয়া যাক ইসলাম ধর্মের নিয়ম অনুযায়ী
তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার যে আমলগুলো রয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
আমরা আজকের এই পোস্টটিতে প্রথমে বলেছি যে জন্ম মৃত্যু বিয়ে এগুলো সব মহান
আল্লাহর ইচ্ছাতেই হয়ে থাকে। তবে কিছু আমল আছে যেগুলো আমরা পালন করলে আল্লাহ
আমাদের সেগুলো অতি তাড়াতাড়ি পূরণ করে দেন।
হাদিসে রয়েছে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেন" ভাগ্য পরিবর্তন হয় না
দোয়া ব্যতীত"(ইবনে মাজাহ ,মিসকাত হাদিস /৪৯২৫) তাই ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য
আমাদেরকে বেশি বেশি দোয়া ও আমল করতে হবে।
এছাড়াও তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার জন্য আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা এবং আমলের
জন্য প্রতি নিয়ত "ইস্তেগফার"বা "আস্তাগফিরুল্লাহ"পাঠ করা। এছাড়াও নির্দিষ্ট
কিছু সূরা ও আয়াত তেলাওয়াত করা এবং বেশি বেশি তাহাজ্জুদের নামাজ আদায়
করে দোয়া করা।
প্রতি নিয়ত বিশেষ সূরা ও আয়াত পাঠ করা
আল্লাহর কাছে যে কোন বিষয়ে চাওয়ার জন্য এবং তা তাড়াতাড়ি পাওয়ার জন্য বিশেষ
কিছু সূরা ও আয়াত রয়েছে সেগুলো পাঠ করলে আল্লাহ তায়ালা আমাদের মনের আশা গুলো
পূরণ করে থাকেন। যেমন সূরা তাওবার ১২৯ নম্বর আয়াত ।এটি সুরা তওবার শেষ আয়াত ,
এটি পাঠ করলে মহান আল্লাহ তা আলা বান্দার মনের নেক আশা পুরোন করে থাকেন ।
এটির বাংলা অনুবাদ হচ্ছে"অতঃপর উহারা যদি মুখ ফিরাইয়া নেয় তবে তুমি বলিও, আমার
জন্য আল্লাহই যথেষ্ট, তিনি ব্যথিত অন্য কোন ইলাহ নাই। আমি তাহারি উপর নির্ভর করি
এবং তিনি মহাবিশ্বের অধিপতি।"
বিশেষ আমল করার কিছু নিয়ম
আমার বিয়ে হবে কিনা এই বিষয়ে জানার জন্য আমাদের আজকের এই পোস্টটিতে
বিশেষ কিছু আমলের কথা বলা হয়েছে যা আমরা পালন করতে পারলে অতি সহজেই আল্লাহতালার
ইচ্ছায় আমাদের মনের আশা পূরণ হতে পারে ।ইনশাল্লাহ চলুন জেনে নেওয়া যাক আমাদের
বিশেষ আমলগুলো কি কি যা পালন করলে আমাদের মনের আশা পূরণ হবে।
- সুরা ইয়াসিন পাঠ করাঃ এই সুরা প্রতিনিয়ত পাঠ করলে আল্লাহ বান্দার চাহিদা পূরণের জন্য যথেষ্ট হন। এবং বান্দার মনের নেক আশা পূরণ করে দেন।
- সূরা ইখলাস পাঠ করাঃ তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার জন্য আমরা যে বিশেষ আমল গুলো করে থাকি তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সূরা ইখলাস পাঠ করা।সূরা ইখলাস তিনবার পাঠ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করলে আল্লাহ বান্দার নেক আশা পূরণ করে দেন।
- সূরা ফাতিহা ও সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত তেলোয়াত করাঃ
এই দুটি সূরার শেষ দুটি আয়াত পাঠ করলে তা আল্লাহর কাছে দোয়া কবুল হওয়ার
সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে ।তাই আমরা আল্লাহর কাছে যে কোন জিনিস চাওয়ার জন্য বেশি
বেশি করে সূরা ফাতিহা ও বাকারার শেষ দুই আয়াত টি পাঠ করব।
- অন্যান্য সূরা পাঠ করাঃ
পবিত্র কুরআন মাজীদ এর প্রতিটি সূরায় আল্লাহর কাছে অনেক জনপ্রিয় এবং প্রতিটা
সূরার গুরুত্ব আল্লাহর কাছে অনেক বেশি তাই আমরা আন্তরিকতা ও বিশুদ্ধ নিয়তের সাথে
কুরআনের যেকোনো সূরা পাঠ করে আল্লাহর কাছে বিশুদ্ধ নিয়তের দোয়া করলে তা
তাড়াতাড়ি কবুল হওয়ার সম্ভাবনা থেকে থাকে।
- দোয়া ও ইবাদতঃ
আমরা আমাদের মনের আশা পূরণের জন্য সব সময় আল্লাহর কাছে দোয়া প্রার্থনা করে থাকে
কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট সময় আছে যা সে সময় পাঠ করলে আল্লাহর কাছে অতি দ্রুত তা
পৌঁছে যায় এবং বান্দার মনের আশা পূরণ হয়ে যায়।
আমাদের যাদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হচ্ছে না তারা তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার জন্য বিশেষ
কিছু দোয়া ও ইবাদত করা উচিত।
বিশেষ দোয়া গুলো হলো।
প্রত্যেকদিন এশার নামাজের পর "ইয়া জাহিরু"১০০ বার পাঠ করলে মনের নেক বাসনা পূর্ণ
হয়।
এছাড়াও আমাদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার জন্য যে দোয়াগুলো করবো তার আগে অবশ্যই
নবীজির প্রতি দুরুদ পাঠ করা উচিত কারণ দুরুদ পাঠ করে দোয়া করলে আল্লাহ
তাড়াতাড়ি কবুল করে নেন।
- নামাজ আদায় করাঃ
প্রত্যেকটি মুসলিম দের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা ফরজ কাজ ।আমরা যদি
প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত সালাত বা নামাজ আদায় না করি তাহলে আল্লাহর কাছে আমাদের
যেকোনো ধরনের দোয়া ও ইবাদত কবুল না হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে তাই আল্লাহর
কাছে দোয়া কবুলের প্রথম শর্ত হলো পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করা। এছাড়াও আমাদের
দোয়া কবুলের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে তাহাজ্জুতের সালাত আদায় করা। তাহাজ্জুদের
সালাত আদায় করলে বান্দার দোয়া অতি সহজে আল্লাহর কাছে কবুল হয় তাই আমরা আমাদের
যেকোনো ধরনের মনের আশা পূরণের জন্য তাহাজ্জুদের সালাতের পর আল্লাহর কাছে বেশি
বেশি দোয়া করব। বিশেষ করে আমাদের অতি সহজে বিয়ে হচ্ছে না তারা প্রতি
রাত্রে সালাত আদায় করে আল্লাহর কাছে খাস নিয়তে দোয়া প্রার্থনা করব তাহলে মহান
আল্লাহতালা অবশ্যই আমাদের দোয়া কবুল করে নিবেন।
পছন্দের মানুষকে বিয়ে করার কিছু আমল
আপনার বিয়ে কবে হবে এই বিষয়ের ওপর আজকের এই লেখায় এখন আমরা জানবো যে পছন্দের
মানুষকে বিয়ে করার আমল কি? বিয়ে প্রত্যেক নর-নারীর জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ
বিষয় ।
মহান আল্লাহ পাকের কাছে কোন কিছুরই অভাব নেই। যেকোনো ব্যক্তি মহান আল্লাহর কাছে
যত বেশি চাই আল্লাহ পাক তত বেশি সেই বান্দার উপর খুশি হন। তাই আপনার পছন্দের
মানুষকে বিয়ে করার জন্য আল্লাহ পাকের কাছে অবশ্যই বেশি বেশি আমল করতে হবে তাহলেই
আল্লাহপাক অবশ্যই আপনার মনের আশা পূরণ করে দিবেন।
মহান আল্লাহ পাক বলেছেন তোমরা আমার কাছে যা চাইবে আমি বান্দাকে তাই দেব। পছন্দের
মানুষকে পাওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে যে দোয়াটি আমরা বেশি বেশি করব সেটি হল। বাংলা
উচ্চারণ: "ওয়ালাযীনা ইয়া কুলুনা রাব্বানা -হাবলানা -মিন আঝওয়া -জিনা
-ওয়া যুররিয়্যাতিনা-কুররাতা আ'ইউনিও ওয়াজ আলনা লিল মুত্তাকীনা-ইমামা।"অর্থ: এবং
হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদেরকে আমাদের স্ত্রী ও সন্তান সন্ততিদের পক্ষ হতে
নয়নপ্রীতি দান করুন এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা তৈরী করে দাও। "(সূরা ফুরকান
,আয়াত ৭৪) এই আয়াতে মুমিনদের জন্য একটি দোয়ার কথা বলা হয়েছে যেখানে তারা
তাদের স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য আল্লাহর কাছে চক্ষু শীতলকারী ও নয়ন প্রীতি চান
এবং নিজেদেরকে ধর্মভীরুদের নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার জন্য প্রার্থনা করেন।
আরো পড়ুনঃপাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে সৌদি ভিসা চেক
তবে আমাদের অবশ্যই একটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে যে বিয়ে একটি পবিত্র সম্পর্ক।
তাই বিয়ের আগে কখনো আমাদের অশালীন কোন চলাফেরা অবাধ মেলামেশা অশালীন কথাবার্তা
বলা এসব করে পবিত্র সম্পর্ক কে অপবিত্র করা উচিত হবে না। তাই আমরা একটু লক্ষ্য
করলে দেখব যে বেশিরভাগ প্রেম করে বিয়ে করার সম্পর্ক বেশিদিন টিকে না। কারণ তাদের
এই পবিত্র সম্পর্কটাকে শুরুর আগেই অপবিত্র করে দেয়। আর তাই আমাদের উচিত হবে কখনই
এই পবিত্র বিয়ের আগে কোন অবৈধ সম্পর্ক স্থাপন অন্যের আমানতের খেয়ানত করা ঠিক
না।
বিয়ে করা সুন্নত নাকি ফরজ ?জেনে নিন
গুগোল আমার বিয়ে হবে কিনা এ বিষয়ের ওপর আজকের এই আর্টিকেলে আমরা জানবো যে
আসলে একজন নারী ও পুরুষের উপর বিয়ে করা সুন্নত নাকি ফরজ।
ইসলাম অনুযায়ী সাধারণত বিয়ে করা একটি সুন্নত কাজ। তবে কিছু নির্দিষ্ট
পরিস্থিতিতে এটি অনেক সময় ফরজ হয়ে যায়। যেমন যদি কোন ব্যক্তি তীব্র যৌন চাহিদা
অনুভব করেন এবং বিয়ে না করে ব্যভিচারের মত বড় গুনাহে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা থেকে
থাকে তবে তার জন্য বিয়ে করা ফরজের সমান কাজ। অন্যদিকে যার বিয়ে করার কোন
সামর্থ্য নেই এবং স্ত্রীর অধিকার আদায়ের অক্ষম, তার জন্য বিয়ে করা
অনুচিত।
হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেছেন "বিয়ে আমার সুন্নাত। যে আমার
সুন্নত থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় সে আমার উম্মতের অন্তর্ভুক্ত নয়"।(ইবনে মাজাহ) তাই
প্রত্যেকটি মুসলমান নারী ও পুরুষের জন্য বিয়ে করা গুরুত্বপূর্ণ সুন্নত এটি
পবিত্র ও বরকত ময় জীবন যাপনের একটি মাধ্যম।
যদি কোন নারী বা পুরুষ যৌন চাহিদা মেটাতে অক্ষম হয় এবং বিয়ে না করলে ব্যভিচার
করা সম্ভাবনা থাকে তবে তার জন্য বিয়ে করা ফরজ হয়ে যায় সেই কারণে আমরা অবশ্যই
কোন ব্যাভিচারী কাজের সাথে লিখতে না হয়ে বিয়ের বয়স হলে অতি তাড়াতাড়ি বিয়ে
করে নেওয়া উচিত। এছাড়াও তীব্র জন চাহিদা পূরণ এবং পাপ থেকে দূরে থাকার জন্য
বিয়ে করা একটি বৈধ ও জরুরি উপায়।
সময় মত বিয়ে না হলে কি করা উচিত
বিয়ে প্রত্যেকটি নারী ও পুরুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কিন্তু সঠিক
সময়ে সঠিক সঙ্গী খুঁজে পাওয়া অত্যন্ত দুরুহ কাজ হয়ে দাঁড়ায় তাই সময় মত
বিয়ে না হলে হতাশা হওয়ার কোন কারণ নেই। বরং এটি একটি আপনার জীবনের সুযোগ সৃষ্টি
হতে পারে। তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক বিয়ে না হলে কি করা উচিত এবং কিভাবে এই
সময়টাকে সঠিকভাবে কাজে লাগানো যায়। যদি আপনার জীবনটাকে সঠিকভাবে সঠিক জায়গায়
কাজে লাগাতে পারেন তাহলে অতি সহজেই আপনার একটি বিয়ের সম্বন্ধ আসতে পারে।
আমাদের জীবনে যদি সময় মতন বিয়ে না হয় তাহলে ধৈর্য ধরে সৃষ্টিকর্তার ওপর ভরসা
রেখে দোয়া ও আমল করা নিজের আর্থিক ও মানসিক প্রস্তুতি বাড়ানো এবং সামাজিক ও
পারিবারিকভাবে বিষয়টির সমাধান খোঁজা উচিত একই সাথে এই সময়ে নিজেকে সুস্থ ও
পবিত্র রাখতে সিয়াম এবং অন্যান্য গঠনমূলক কাজে মনোযোগ দেওয়া উচিত।
- দোয়া ও আমল করা:
সময় মতন বিয়ে না হলে কিছু নির্দিষ্ট দোয়া যেমন" ইয়া ফাত্তাহু "পড়া ও সুরা
ইয়াসিন সূরা আদ দোহা সূরা কাসাস এর কিছু নির্দিষ্ট আয়াত প্রতিনিয়ত তেলাওয়াত
করা এবং ইস্তেগফার পাঠ করা যেতে পারে.
আল্লাহর উপর ভরসা রাখা:
বিয়েতে বিলম্ব হলে অবশ্যই নিজেকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা
রেখে তার কাছে সাহায্য চাইতে হবে
- আর্থিক ও মানসিক প্রস্তুতি নেওয়া:
যদি আমাদের কারো জীবনে তাড়াতাড়ি বিয়ে না হয় তাহলে আমাদেরকে আর্থিক ও
মানসিকভাবে প্রস্তুতি নিতে হবে কারণ বিয়ে একটি বড় দায়িত্ব তাই নিজের আর্থিক ও
মানসিক প্রস্তুতি বাড়ানো জরুরী এটি সামাজিক শীলতা নিশ্চিত করে থাকে।
- পারিবারিক ও সামাজিক যোগাযোগ:
সময় মত বিয়ে না হলে আমাদেরকে পরিবার ও বন্ধুদের সাথে খোলাখুলি কথা বলা এবং
তাদের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে এছাড়া সামাজিকভাবেও একজন জীবনসঙ্গিক খুঁজে বের
করার চেষ্টা করা যেতে পারে।
- নিজেকে সুস্থ রাখা:
গুগল আপনার বিয়ে কবে হবে এই বিষয়ে এর উপর আজকের আমাদের এই পোস্টটিতে একটি বিশেষ
লক্ষণীয় বিষয় আমাদেরকে শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ থাকতে হবে যে কোন বিষয়
নিয়ে আমাদেরকে অধৈর্য হওয়া যাবে না। বিয়ের জন্য অপেক্ষা করার সময় নিজেকে
অবশ্যই মানসিক ও শারীরিকভাবে সুস্থ রাখতে হবে।
- ধৈর্য ধারণ করা:
বিয়ে প্রতিটি মানুষের জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তবে যে কোন কারনে যদি
আমাদের সময়মতো বিয়ে না হয়ে একটু বিলম্বিত হয় তবে অবশ্যই আমাদের ধৈর্য ধারণ
করতে হবে এবং ধৈর্য্যর সাথে উপরে উল্লেখিত যে আমল গুলির কথা আলোচনা করা হলো
সেগুলো করতে হবে।
বিয়ে সম্পর্কে কয়েকটি হাদিস জেনে নিন
আজকের এই বিষয়ে এর উপর আমরা বিয়ে সম্পর্কে কয়েকটি রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের হাদিস জেনে নেওয়া যাক।
আব্দুল্লাহ ইবনে মাসঊদ (রা:) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে যুবক সম্প্রদায় তোমাদের মধ্যে যে বিবাহের
সামর্থ্য রাখে সে যেন অবশ্যই বিবাহ করে। কেননা বিবাহ দৃষ্টি অবনত করে ও
লজ্জাস্থানের অধিক অধিক হেফাজত করে। আর যার সামর্থ্য নেই সে যেন রোজা রাখে। কেননা
রোজা তার জন্য ঢালস্বরূপ। (অর্থাৎ অবৈধ যৌন চাহিদা থেকে বিরত রাখে)
(বুখারী ৫০৬৬, মুসলিম ১৪০০)
আবু হুরায়রা (র) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই
সাল্লাম বলেছেন মূলত চারটি গুণের কারণে নারীকে বিবাহ করা হয় নারীর ধন
সম্পদ অথবা বংশ মর্যাদা অথবা রূপ সৌন্দর্য অথবা তার ধর্মভীরুর কারণে। রাসূলুল্লাহ
সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলতেন সুতরাং ধর্মভীরুকে প্রাধান্য দিয়ে বিবাহ করে
সফল হও। আর যদি এরম না করো তাহলে তোমার দুহাত ধোলাই ধুসরিত হোক।
( বুখারী ৫০৯০, মুসলিম ১৪৬৬)
আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর ( র) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাই
সাল্লাম বলেছেন দুনিয়ার সমস্ত ধনসম্পদ তুচ্ছ ও ক্ষণস্থায়ী। কিন্তু মুসলিম ছুটির
সাথে রমণী সর্বশ্রেষ্ঠ ধন। (মুসলিম ১৪৬৭, নাসায়ী ৩২৩২)
ছেলেদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল
আমাদের আজকের এই আর্টিকেলে গুগোল আমার বিয়ে কবে হবে এই বিষয়ের উপর উপরে যে
উল্লেখিত আমল গুলোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে ,এগুলো মূলত ছেলে এবং মেয়েদের উভয়ের
ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। ছেলে এবং মেয়ে আলাদা করে কোন আমল নেই। ছেলেদের তাড়াতাড়ি
বিয়ে হওয়ার আমল ও মেয়েদের তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার আমল যেহেতু একই ,তাই ছেলে ও
মেয়েকে তাড়াতাড়ি বিয়ে দেওয়ার যে আমল করার কথাগুলো উপরে উল্লেখ করা হয়েছে তা
যথাযথভাবে পালন করা উচিত। উপরে যে আমলগুলো বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে তা ছেলে
এবং মেয়ের ক্ষেত্রে তাড়াতাড়ি বিবাহ হওয়ার কাজে আসবে।
ইসলামের তাড়াতাড়ি বিয়ে করার গুরুত্ব
ইসলামে তাড়াতাড়ি বিয়ের বিষয়ে গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে কারণ এটি বিভিন্ন ধরনের
ভয়াবহ বিপদ থেকে রক্ষা করে থাকে। এছাড়াও ইসলামে তাড়াতাড়ি বিয়ের গুরুত্ব
দেওয়ার বিষয়ে আরো বলা হয়েছে যাতে সমাজে দুর্নীতি ও বিভিন্ন ধরনের বিচ্যুতিকে
প্রতিরোধ করা যায়।
এছাড়াও ইসলামের তাড়াতাড়ি বিয়ের বিষয় বলা হয়েছে এজন্য যে তাড়াতাড়ি বিয়ে
করলে সমাজের তরুণ তরুণীরা বিভিন্ন ধরনের অন্যায় অশালীন অশ্লীলতা থেকে দূরে থাকতে
পারে। এ সম্পর্কে হাদিস ও বর্ণিত রয়েছে যে ,
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু সাল্লাম বলেছেন ,"হে যুবকেরা তোমাদের মধ্যে যারা স্ত্রীকে সমর্থন করতে পারো তাদের তাড়াতাড়ি
বিয়ে করা উচিত"।
এছাড়াও মহাগ্রন্থ পবিত্র কুরআনে মহান আল্লাহতালা বিয়ে সম্পর্কে বলেছেন, যেমন
"সূরা আন নূর"
এর মধ্যে বলেছেন "এবং তোমাদের মধ্যে অবিবাহিতদের এবং তোমাদের
পুরুষ মধ্যে ধার্মিকদের বিয়ে কর যদি তারা দরিদ্র হয় তাহলে আল্লাহ
সমৃদ্ধ করবেন, তাদেরকে তার অনুগ্রহ থেকে এবং আল্লাহর সর্বব্যাপী ও সর্বজ্ঞ"।
তাই আমাদেরকে ইসলামে শরিয়া মোতাবেক তাড়াতাড়ি বিয়ে করে ইসলামী সুন্নাহ কাজ
পালন করা উচিত ।তাহলে আমাদের জীবন সুন্দর ও সাফল্যময় হবে।
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী বিয়ের ভবিষ্যৎবাণী
আমরা বিভিন্ন ধর্মের লোক বিভিন্ন রকমের রীতিবিদের উপর বিশ্বাস করে থাকে তেমনি
আমারা বিয়ে কবে করব এই বিষয়ে অনেক নারী পুরুষগণ জ্যোতিষ শাস্ত্রেতে বিশ্বাস করে
থাকে তাহলে চলুন জেনে নেওয়া যাক বিয়ে সম্পর্কে জ্যোতিষ শাস্ত্র কি বলে।
জ্যোতিষ শাস্ত্র অনুযায়ী বিবাহের সময় নির্ভর করে ব্যক্তির জন্ম তারিখ গ্রহের
দশা এবং গোচরের ওপর বিশেষ করে শুক্র, বৃহস্পতি এবং শনি র অবস্থান অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। কোন নির্দিষ্ট রাশি বা তারিখের উপর ভিত্তি করে নয় বরং ব্যক্তিগত
কুন্ডলী বিশ্লেষণ করে এই বিষয়ে ভবিষ্যৎবাণী করে থাকেন।
- গ্রহের দশা ও গোচর:
বিবাহের সময় নির্ধারণে গ্রহের দশা যেমন সপ্তম প্রতিদশা এবং গোচর যেমন শুক্র
বৃহস্পতি এবং শনির গোসল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।
- গ্রহের অবস্থান:
রাশিচক্র গ্রহের শুভ বা অশুভ অবস্থান বিয়ের সময়কে
প্রভাবিত করে যেমন শুক্র গ্রহ প্রেম ও বিবাহের সঙ্গে সম্পর্কিত।
- ব্যক্তিগত কুণ্ডলী:
প্রতিটি ব্যক্তির কুণ্ডলী স্বতন্ত্র। তাই নির্দিষ্ট কোন ব্যক্তি কবে বিয়ে করবেন
তা জানতে হলে তার ব্যক্তিগত কোন দলে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।
- শুভ সময়:
কিছু জ্যোতিষী গ্রহের অবস্থান এবং শুভ সময় বিশ্লেষণ করে বিবাহের জন্য শুভ সময়
নির্ধারণ করে থাকেন।
এছাড়াও আপনি আপনার বিয়ের সময় সম্পর্কে সঠিক তথ্য পেতে একজন অভিজ্ঞ জ্যোতিষ
শাস্ত্র বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন। একজন জ্যোতিষ শাস্ত্র বিশেষজ্ঞ আপনার
জন্ম তারিখ সময় এবং স্থান অনুযায়ী গ্রহের অবস্থান বিশ্লেষণ করে একটি সঠিক
ভবিষ্যৎ বাণী করে দিতে পারে। আর আমারও যারা জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাস করি শুধু
তারাই জ্যোতিষ শাস্ত্র বিশেষজ্ঞর পরামর্শ নিবেন।
শেষ কথা: গুগোল আমার বিয়ে কবে হবে - আপনার বিয়ে কার সাথে কোথায় হবে
প্রিয় পাঠক, গুগোল আমার বিয়ে কবে হবে - আপনার বিয়ে কার সাথে কোথায় হবে আজকের এই
আর্টিকেলে এ বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করেছি। আমাদের এই পোস্টে
গুগল আমাদের বিয়ে কবে হবে ,আপনার বিয়ে কার সাথে হবে কোথায় হবে ,বিয়ে হচ্ছে না
কেন ,বিয়ে না হলে কি করা উচিত, এবং তাড়াতাড়ি বিয়ে হওয়ার যে আমলগুলো রয়েছে এ
সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি।
প্রিয় পাঠক, আমরা আজকের এই আর্টিকেলে প্রথমে উল্লেখ করেছি যে জন্ম-মৃত্যু বিয়ে
ধন সম্পদ এগুলো সম্পূর্ণটাই আমাদের রব মহান আল্লাহ তায়ালায় নিয়ন্ত্রণ করে
থাকেন, তবে আল্লাহ তায়ালাই বলেছেন কিছু আমলের মাধ্যমে আমাদের ভাগ্যের পরিবর্তন
ঘটে তাই আমাদেরকে আমাদের মনের নেক আশা পূরণের জন্য বেশি বেশি উপরে উল্লেখিত
আমলগুলো করতে হবে তাহলে আমাদের মনে আশা পূরণ হবে। প্রিয় পাঠক আমাদের আজকের এই
লেখা এ পর্যন্তই ,যদি আমাদের এই পোস্টের মধ্যে কোন ভুল ভ্রান্তি থেকে থাকে এবং
আপনার কোন বিষয়ে জানা থাকে তাহলে কমেন্টের মধ্যে জানাবেন অবশ্যই।



স্মার্টজোনবিডির নীতি মালা মেনে কমেন্ট করুননীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url